News

দেহের পাম্পযন্ত্রকে ভালো রাখার উপায় বর্ণনা সহ সচিত্র প্রতিবেদন উপস্থাপন

বিজ্ঞান বিষয়ে অ্যাসাইনমেন্ট নাম্বার 3

এসাইনমেন্ট শিরোনাম: দেহের পাম্পযন্ত্রকে ভালো রাখার উপায় বর্ণনা সহ সচিত্র প্রতিবেদন উপস্থাপন

শিখনফল বিষয়বস্তু:

  • শরীরের রক্ত সঞ্চালন কার্যক্রম ব্যাখ্যা করতে পারবে
  • হৃদযন্ত্র কে ভালো রাখার উপায় বর্ণনা করতে পারবে

নির্দেশনা:

  • হৃদপিন্ডের চিহ্নিত চিত্র অংকন
  • হৃদযন্ত্র কে ভালো রাখার উপায় বর্ণনা
  • হূদরোগ হতে সুরক্ষিত থাকার উপায় সমূহ বর্ণনা

উত্তরঃ

Top Stories

শরীরের রক্ত সঞ্চালন কার্যক্রম

যে প্রক্রিয়াতে রক্ত নালীসমূহের মধ্য দিয়ে হৃদপিণ্ড থেকে বের হয়ে সমস্ত শরীরে বাহিত হয়ে পুনরায় হৃৎপিণ্ডে ফিরে আসে তাকে রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া বলে।

প্রতি মিনিটে ৭০-৮০ বার রক্ত পাম্প করে। করোনারী ধমনী হৃৎপেশীতে রক্ত সরবরাহ করে।

অলিন্দদ্বয় একসাথে এবং নিলয় দ্বয় এক সাথে সংকুচিত হয়। এর ফলে স্টেথোস্কোপ দিয়ে লাব-ডাব শব্দ পাওয়া যায়। হৃদপিণ্ডে চারটি কপাটিকা আছে যা রক্তের গতি এক দিকে রাখে এবং উল্টা দিকে যেতে বাধা দেয়।

রক্ত সঞ্চালন গতি পথ :

রক্ত পর্যায়ক্রমে ডান অনিন্দ > ডান নিলয় > পালমোনারী ধমনী দিয়ে ফুসফুস > পালমোনারী শিরা দিয়ে বাম অলিন্দ > বাম নিলয় > মহা-ধমনী > ধমনী > জালিকা শিরা > মহা শিরা > হয়ে আবার ডান অলিন্দে ফিরে আসে।

রক্ত চলাচলন রক্তনালীর মাধ্যমে রক্ত ​​চলাচল, যা শরীর এবং পরিবেশের টিস্যুগুলির মধ্যে বিপাক সরবরাহ করে। মানবদেহে রক্তের সংবহন বন্ধ কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেমের মাধ্যমে বাহিত হয়।

মানব, স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং পাখিগুলিতে, হৃদয়টি চার-কক্ষ হয়, একটি অবিচ্ছিন্ন অনুদৈর্ঘ্য সেপটাম এটিকে ডান এবং বাম অংশে বিভক্ত করে, যার প্রত্যেকটি দুটি কক্ষে বিভক্ত – অলিন্দ এবং ভেন্ট্রিকল। এই দুটি চেম্বার প্রজাপতি ভালভ দিয়ে সজ্জিত খোলার মাধ্যমে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে। ভালভগুলি এক দিকে খুলতে সক্ষম হয়, সুতরাং তারা এটরিয়া থেকে রক্তকে ভেন্ট্রিকলে প্রবেশ করে।

হৃদযন্ত্র কে ভালো রাখার উপায় বর্ণনা

পরিমিত খাবারের সঙ্গে নিয়মিত ব্যায়াম, মানসিক চাপ না নেওয়া, ওজন নিয়ন্ত্রণ আর ধূমপান না করা—দৈনন্দিন জীবনে এ কয়টি অভ্যাস আপনার হৃৎপিণ্ডকে রাখবে সুস্থ-সবল।

হৃৎপিণ্ড ভালো রাখতে সপ্তাহে ন্যূনতম পাঁচ দিন করে রোজ ৩০ মিনিট ব্যায়ামের প্রয়োজন বড়দের। কিন্তু ব্যায়ামের অভ্যাস না থাকলে হুট করে শারীরিক কসরতের মাধ্যমে ঘাম ঝরানো ভীষণ ক্লান্তিকর ব্যাপার। এ কারণে বাসায় বাচ্চাকাচ্চা থাকলে তাঁদের সঙ্গে খেলার মধ্য দিয়ে ব্যায়ামের কাজটা সেরে নিতে পারেন।

আপনি প্রাণীজ উৎস থেকে প্রাপ্ত ‘স্যাচুরেটেড ফ্যাট’ (ক্ষতিসাধক স্নেহ পদার্থ) খেতে ভালোবাসেন। যেমন ধরুন, ‘রেড মিট’ কিংবা পূর্ণমাত্রায় ফ্যাটযুক্ত দুগ্ধজাত দ্রব্যাদি। হৃৎপিণ্ড ভালো রাখতে এসব খাবার ছাড়তে হবে।

পুষ্টিকর খাবার খান এবং ক্যালরি খরচ ও গ্রহণে ভারসাম্য আনুন। তরল খাবার খেতে পারেন। শাকসবজি থাকুক প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায়। এ ছাড়া শারীরিক পরিশ্রম করুন। প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটা বাধ্যতামূলক করুন।

ধূমপানের অপকারিতা সমন্ধে আমরা সবাই জানি। এ বদভ্যাসটি ছাড়ার নির্দিষ্ট কোনো পথ নেই। যে যার মতো করে চেষ্টা করে থাকে। চিকিৎসকের পরামর্শ, পরিবারের সাহায্য কিংবা এ দুটি ব্যাপার মিলিয়ে চেষ্টা করলে সুফল পেতে পারেন।

হৃদপিন্ডের চিহ্নিত চিত্র অংকন

হূদরোগ হতে সুরক্ষিত থাকার উপায় সমূহ বর্ণনা

পুষ্টি ফাউন্ডেশনের গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মানুষের দেহের অত্যন্ত ক্ষুদ্র একটি অণুজীব মাইক্রোবায়োম যদি সুস্থ থাকে এবং কোমরের আকার যদি খুব বেশি বেড়ে না যায়, পাশাপাশি রক্তচাপ ও কোলেস্টেরলের মাত্রা কম রাখা যায় তাহলেই হৃদরোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে সামান্য কিছু পরিবর্তন এনেই এসব অর্জন করা সম্ভব।

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে খাবার-দাবারের বেলায় কী ধরনের পরিবর্তন আনতে হবে?

১. বেশি করে আঁশযুক্ত খাবার খান

যেসব খাবারে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার বা আঁশ আছে সেসব খাবার খাবেন। এসব খাবারের কারণে শরীরে স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়া তৈরি হয়।

কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখতে সাহায্য করে এই ব্যাকটেরিয়া।

বেশি আঁশ আছে এরকম সবজির মধ্যে রয়েছে শিম ও মটরশুঁটি জাতীয় সবজি, কলাই ও ডাল জাতীয় শস্য এবং ফলমূল।

পুষ্টি বিজ্ঞানীরা বলছেন, আলু এবং শেকড় জাতীয় সবজি খোসাসহ রান্না করলে সেগুলো থেকেও প্রচুর আঁশ পাওয়া যায়।

এছাড়াও তারা হোলগ্রেইন আটার রুটি এবং বাদামী চাল খাবারও পরামর্শ দিয়েছেন।

২. স্যাচুরেটেড ফ্যাট বা জমাট-বাঁধা চর্বি জাতীয় খাবার কমিয়ে ফেলুন

খাদ্য বিজ্ঞানীরা বলছেন, যেসব খাবারে বেশি স্যাচুরেটেড ফ্যাট বা জমাট-বাঁধা চর্বি থাকে সেসব খাবার খেলে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়। এর ফলে বেড়ে যায় হৃদরোগের ঝুঁকিও।

চিজ, দই, লাল মাংস, মাখন, কেক, বিস্কিট ও নারকেল তেলে প্রচুর পরিমাণে স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে।

See Also: এসএসসি-২০২২ বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট উত্তর ১৩ তম সপ্তাহ PDF Download

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *