দশম শ্রেনী/এসএসসি ব্যাচ 2022 পৌরনীতি ও নাগরিকতা (৫ম সপ্তাহের) এসাইনমেন্ট উত্তর

বাংলাদেশ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের ২০২২ সালের পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মানবিক বিভাগের অন্যান্য গ্রুপ সাবজেক্ট এর পাশাপাশি পৌরনীতি ও নাগরিকতা বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্ট কাজ উত্তর সহকারে প্রকাশ করা হয়েছে। এটি এসএসসি ব্যাচ 2022 সালের পরীক্ষার্থীদের পঞ্চম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্টের কাজ বলে নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই আমরা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে এই অ্যাসাইনমেন্ট এর প্রশ্ন সংগ্রহ করে সঠিক উত্তর তৈরী করে আপলোড করেছি।

প্রিয় শিক্ষার্থী আপনি যদি এসএসসি ব্যাচ 2022 সালে পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী হয়ে থাকেন এবং মানবিক বিভাগ থেকে থেকে থাকেন তাহলে পৌরনীতি ও নাগরিকতা মূল সাবজেক্ট হিসেবে আপনাকে এসাইনমেন্ট তৈরি করতে হবে। কেননা আপনি এই পোষ্টের মাধ্যমে এসএসসি 2012 সালের শিক্ষার্থীদের মানবিক বিভাগের পৌরনীতি ও সুশাসন অ্যাসাইনমেন্ট নির্ভুল এবং পূর্ণাঙ্গ উত্তর পাবেন।

আপনার অবশ্যই ধারণা আছে যে এবছর অ্যাসাইনমেন্ট এর মাধ্যমে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের শিক্ষার কার্যক্রম অবিচল রাখার ক্ষেত্রে অ্যাসাইনমেন্ট এর ভূমিকা অপরিহার্য। শিক্ষার্থীদের কে শিক্ষার মধ্যে ডুবে রাখার জন্য এসাইনমেন্ট এর কাজ হিসেবে এসএসসি অথবা দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরিনীতি বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্ট কাজ প্রকাশ করেছেন।

সকল শিক্ষার্থীদের কাছে বিশেষ অনুরোধ কোন সময় অতিবাহিত না করে আপনি আমাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এসএসসি পরণিতি ও সুশাসন অ্যাসাইনমেন্ট এর কাজ সংগ্রহ করে তা উত্তর তৈরি করে ফেলুন। এসএসসি ব্যাচ 2022 করণীয় সুশাসন বিষয়ের পঞ্চম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর পেতে সম্পূর্ণ পোস্টটি ফলো করুন।

এসএসসি ব্যাচ 2022 মানবিক বিভাগের অ্যাসাইনমেন্ট

ইতিমধ্যে আপনারা জানেন যে এসএসসি 2022 সালে পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের অবগতি দেওয়া হয়েছে যে শুধুমাত্র গ্রুপ সাবজেক্ট এর উপর অ্যাসাইনমেন্ট এর কাজ সম্পন্ন করতে হবে। একটি চূড়ান্ত নীতিমালা অনুযায়ী বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী ডাক্তার দীপু মনি মুক্ত ঘোষণা করেছে যে শুধুমাত্র বিষয়ভিত্তিক অ্যাসাইনমেন্ট কাজ করতে হবে সকল শিক্ষার্থীদের কে বাধ্যতামূলক।

এরই ধারাবাহিকতায় শিক্ষা বোর্ড থেকে এসএসসি 2022 সালের মানবিক বিভাগের ছাত্র ছাত্রীদের জন্য গ্রুপ সাবজেক্ট হিসেবে পৌরনীতি ও সুশাসন বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এবং গুগোল ও পরিবেশ বিদ্যা বিষয়ক অ্যাসাইনমেন্ট ভিন্ন ভিন্নভাবে সপ্তাহব্যাপী প্রকাশ করা হচ্ছে। এসাইনমেন্ট এর কাজ সচল থাকায় পঞ্চম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট এর কাজ প্রণয়ন করা হলো।

এসএসসি ব্যাচ 2020 পৌরনীতি ও নাগরিকতা অ্যাসাইনমেন্ট পঞ্চম সপ্তাহ প্রশ্ন

2022 সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট নির্ধারিত প্রকাশ করা হয়েছে। আপনি জানেন যে আমরা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের মেইন ওয়েবসাইট থেকে অ্যাসাইনমেন্ট এর প্রশ্ন সংগ্রহ করে আপনাদের জন্য এখানে তুলে ধরলাম। আমাদের এই কাজের একটাই কারণ হচ্ছে যে সকল শিক্ষার্থীরা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে অ্যাসাইনমেন্ট কার সংগ্রহ করতে পারে না আমরা তাদেরকে শুধুমাত্র সাহায্যের জন্য এই কাজটি করে থাকে। কেননা আমাদের ওয়েবসাইট থেকে সকল শিক্ষার্থীরা খুব সহজে অ্যাসাইনমেন্ট এর প্রশ্ন ডাউনলোড করে নিতে পারে।

শিক্ষার্থীরা তোমরা অবগত আছ যে আমরা প্রতিটি অ্যাসাইনমেন্টের সপ্তাহব্যাপী ভিন্ন ভিন্ন উত্তর খুব সহজে তুলে ধরি। এর মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীরা খুব সহজে তাদের মানসিকভাবে নিজেদেরকে তৈরি করতে পারে। আপনারা জানেন যে অ্যাসাইনমেন্ট এর পোস্টার পাশাপাশি আমরা তার সঠিক উত্তর প্রকাশ করে যাচ্ছি।

মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য আমাদের এসাইনমেন্ট এর উত্তর গুলো খুব সুন্দর ভাবে সাজানো আছে। আপনারা চাইলে পরবর্তী অংশ থেকে এসাইনমেন্ট এর উত্তর গুলো সংগ্রহ করে নিতে পারেন।

দশম শ্রেণী 5ম সপ্তাহ পৌরনীতি ও নাগরিকতা অ্যাসাইনমেন্ট কাজ

এসাইনমেন্ট কাজ: আদর্শ পরিবার ও সমাজ গঠন এবং আধুনিক রাষ্ট্র ও সরকারের বিনির্মাণে তুমি কিভাবে পৌরনীতি ও নাগরিকতা জ্ঞান প্রয়োগ করবে।

শিখনফল/বিষয়বস্তু: পৌরনীতি পাঠের বিষয়ে ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারবে।

পৌরনীতি পাঠের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারবে।

পরিবার সমাজ রাষ্ট্র ও সরকারের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারবে।

পরিবার সমাজ রাষ্ট্র ও সরকারের সম্পর্ক বিশ্লেষণ করতে পারবে।

নির্দেশনা(সংকেত/ধাপ/ পরিধি): প্রথম অধ্যায়: (পৌরনীতি ও নাগরিকতা)

১। পৌরনীতি ও নাগরিকতা

২। পরিবার

৩। সমাজ

৪। রাষ্ট্র

৫। সরকার

এসএসসি ব্যাচ ২০২২ পৌরনীতি ও নাগরিকতা ৫ম সপ্তাহ এসাইনমেন্ট উত্তর

সুপ্রিয় শিক্ষার্থীরা যারা এসএসসি ২০২২ সালে পরীক্ষা অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছ তোমাদের জন্য আমরা বাংলাদেশ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে পৌরনীতি ও সুশাসন এসাইনমেন্ট এর সঠিক প্রশ্নের সম্পূর্ণ নির্ভুল উত্তর প্রকাশ করলাম। এর একটাই কারন আমরা সবার আগে সর্বপ্রথম এসএসসি পরণিতি ও সুশাসন এবং অন্যান্য বিষয়গুলো সঠিক ও নির্ভুল উত্তর প্রদান করি। এতে করে শিক্ষার্থীরা তাদের কোনো রকম ঝুঁকি ছাড়াই আমাদের ওয়েবসাইট থেকে উত্তর গুলো ডাউনলোড করে নিতে পারবে।

তোমরা জানো যে প্রতিটি লিখিত উত্তর পাশাপাশি আমরা অ্যাসাইনমেন্টের ছবিও পিডিএফ ফাইল সরবরাহ করে থাকি। যদি কোনো শিক্ষার্থী পিডিএফ ফাইল না পেয়ে থাকো তাহলে আমাদেরকে কমেন্ট করে জানাতে পারো আমরা খুব দ্রুত তোমাদেরকে এটি প্রদান করব। এসাইনমেন্টের এই ইভেন্টে সব সময় আমরা তোমাদের পাশে সহযোগিতা করে যাব।

তাহলে আর দেরি না করে এখান থেকে এসাইনমেন্ট এর উত্তর গুলো নিয়ে এই পোস্টটিকে নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে শেয়ার করে অন্যকে জানিয়ে দাও। মনে রাখবে তোমাদের সহযোগিতা জন্য আমরা সব সময় সজাগ থাকি এবং তোমরাও আমাদের সহযোগিতা করার জন্য শেয়ার করবে।

আদর্শ পরিবার ও সমাজ গঠন এবং আধুনিক রাষ্ট্র ও সরকারের বিনির্মাণে তুমি কিভাবে পৌরনীতি ও নাগরিকতা জ্ঞান প্রয়োগ করবে

পৌরনীতির ইংরেজি শব্দ সিভিক্স (Civics)। সিভিক্স শব্দটি দুটি ল্যাটিন শব্দ সিভিস (Civis) এবং সিভিটাস (Civitas) থেকে এসেছে। সিভিস (Civis) শব্দের অর্থ নাগরিক (Citizen) আর সিভিটাস শব্দের অর্থ নগর-রাষ্ট্র (City State)।

পৌরনীতি ও নাগরিকতা :

প্রাচীন গ্রিসে নাগরিক ও নগররাষ্ট্র ছিল অবিচ্ছেদ্য।

ওই সময় গ্রিসে ছোট ছোট অঞ্চল নিয়ে গড়ে ওঠে নগর-রাষ্ট্র।

যারা নগর রাষ্ট্রীয় কাজে সরাসরি অংশগ্রহণ করতো, তাদের নাগরিক বলা হতো। শুধু পুরুষশ্রেণি রাষ্ট্রীয় কাজে অংশগ্রহণের সুযোগ পেত বিধায় তাদের নাগরিক বলা হতো।

বর্তমানে নাগরিকের ধারণার পরিবর্তন ঘটেছে। পাশাপাশি নগর-রাষ্ট্রের স্থলে বৃহৎ আকারের জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

যেমন- বাংলাদেশের ক্ষেত্রফল ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কিলোমিটার এবং লোকসংখ্যা প্রায় ১৯ কোটি। আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক।

নাগরিক অধিকার ভোগের পাশাপাশি আমরা রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করে থাকি।

তবে আমাদের মধ্যে যারা অপ্রাপ্তবয়স্ক অর্থাৎ যাদের বয়স ১৮ বছরের নিচে, তারা ভোটদান কিংবা নির্বাচিত হওয়ার মতো রাজনৈতিক অধিকার ভোগ করতে পারে না।

তাছাড়া বিদেশিদের কোনো রাজনৈতিক অধিকার ভোগ করার সুযোগ নেই। যেমন- নির্বাচনে ভোট দ্বারা নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ নেই। মূলত রাষ্ট্র প্রদত্ত নাগরিকের মর্যাদা কে নাগরিকতা বলে।

পরিবার :

সমাজ স্বীকৃত বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়ে স্বামী-স্ত্রীর একত্রে বসবাস করাকে পরিবার বলে।

অর্থাৎ বৈবাহিক সম্পর্কের ভিত্তিতে এক বা একাধিক পুরুষ ও মহিলা তাদের সন্তানাদি, পিতামাতা এবং অন্যান্য পরিজন নিয়ে যে সংগঠন গড়ে ওঠে- তাকে পরিবার বলে।

ম্যাকাইভারের মতে, সন্তান জন্মদান ও লালন পালনের জন্য সংগঠিত ক্ষুদ্র বর্গকে পরিবার বলে।

আমাদের দেশে সাধারণত মা-বাবা, ভাই-বোন, চাচা চাচি ও দাদা-দাদির সমন্বয়ে পরিবার গড়ে ওঠে। তবে শুধু একজন মহিলা বা একজন পুরুষকে পরিবার বলা হয় না।

মূলত পরিবার হলো স্নেহ, মায়া, মমতা, ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে গঠিত ক্ষুদ্র সামাজিক প্রতিষ্ঠান।

আমরা সবাই পরিবারে বাস করি। কিন্তু সব পরিবারের প্রকৃতি ও গঠন কাঠামো একরকম নয়।

কতগুলো নীতির ভিত্তিতে পরিবারের শ্রেণীবিভাগ করা যায়। যেমন-

  • (ক) বংশ গণনা ও নেতৃত্ব,
  • (খ) পারিবারিক কাঠামো ও
  • (গ) বৈবাহিক সূত্র।

নাগরিকতা পরিবার সমাজ রাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সংস্থার ব্যাখ্যা

সমাজ :

সমাজ বলতে সেই সংঘবদ্ধ জনগোষ্ঠীকে বোঝায়, যারা কোনো সাধারণ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য একত্রিত হয়।

অর্থাৎ একদল লোক যখন সাধারণ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য সঙ্গবদ্ধ হয়ে বসবাস করে, তখনই সমাজ গঠিত হয়।

সমাজের এ ধারণাটি বিশ্লেষণ করলে এর প্রধান দু’টি বৈশিষ্ট্য লক্ষ করা যায়। যথা-

  • ক) বহুলোকের সংঘবদ্ধভাবে বসবাস এবং
  • খ) ঐ সংঘবদ্ধতার পেছনে থাকে সাধারণ উদ্দেশ্য।

তাছাড়া সমাজের সদস্যদের মধ্যে আরও কিছু বৈশিষ্ট্য লক্ষ করা যায়-

  • ঐক্য ও পারস্পরিক সহযোগিতা,
  • নির্ভরশীলতা,
  • ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া,
  • সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য ইত্যাদি।

সমাজের সাথে মানুষের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। মানুষকে নিয়ে সমাজ গড়ে উঠে। আর সমাজ মানুষের বহুমুখী প্রয়োজন মিটিয়ে উন্নত ও নিরাপদ সামাজিক জীবন দান করে।

সমাজের মধ্যেই মানুষের মানবীয় গুণাবলি ও সামাজিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটে।

সমাজকে সভ্য জীবনযাপনের আদর্শ স্থান মনে করে বলে মানুষ তার নিজের প্রয়োজনেই সমাজ গড়ে তোলে।

গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটল যথার্থই বলেছেন, মানুষ স্বভাবগত সামাজিক জীব। যে সমাজে বাস করে না, সে হয় পশু, না হয় দেবতা।

বস্তুত মানুষ জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সমাজে বসবাস করে এবং সামাজিক পরিবেশেই সে নিজেকে বিকশিত করে।

রাষ্ট্র :

রাষ্ট্র একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান। বিশ্বের মানুষ কোনো না কোনো রাষ্ট্রে বসবাস করে।

আমাদের এই পৃথিবীতে ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় ২০০ টি রাষ্ট্র আছে। প্রতিটি রাষ্ট্রেরই আছে নির্দিষ্ট ভূখণ্ড এবং জনসংখ্যা।

এ ছাড়া রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য আরও আছে সরকার এবং সার্বভৌমত্ব। মূলত এগুলো ছাড়া কোনো রাষ্ট্র গঠিত হতে পারে না।

অধ্যাপক গার্নার বলেন, ‘সুনির্দিষ্ট ভূখণ্ডে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী, সুসংগঠিত সরকারের প্রতি স্বভাবজাতভাবে আনুগত্যশীল, বহিঃশত্রুর নিয়ন্ত্রণ হতে মুক্ত স্বাধীন জনসমষ্টিকে রাষ্ট্র বলে।’

এ সংজ্ঞা বিশ্লেষণ করলে রাষ্ট্রের চারটি উপাদান পাওয়া যায়। যথা-

  • ১। জনসমষ্টি,
  • ২। নির্দিষ্ট ভূখণ্ড,
  • ৩। সরকার ও
  • ৪। সার্বভৌমত্ব।

রাষ্ট্র কখন ও কীভাবে উৎপত্তি লাভ করেছে তা নিশ্চিত করে বলা কঠিন।

তবে রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা অতীত ইতিহাস ও রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ পরীক্ষা-নীরিক্ষা করে রাষ্ট্রের উৎপত্তি সম্পর্কে কতগুলো মতবাদ প্রদান করেছেন।

তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-

  • ১। ঐশী মতবাদ,
  • ২। বল বা শক্তি প্রয়োগ মতবাদ,
  • ৩। সামাজিক চুক্তি মতবাদ ও
  • ৪। ঐতিহাসিক বা বিবর্তনমূলক মতবাদ।

সরকার:

সকল সপ্তাহের এসাইনমেন্ট উত্তর সমূহ: পৌরনীতি ও সুশাসনের সাথে লোক প্রশাসনের সম্পর্ক পৌরনীতি ও সুশাসন এবং লোক প্রশাসন সমাজবিজ্ঞানের অন্তর্ভূক্ত দুটি পৃথক শাখা। পৌরনীতি ও সুশাসন নাগরিক ও রাষ্ট্রের রাজনৈতিক দিক নিয়ে আলোচনা করে থাকে। অন্যদিকে লোক প্রশাসন সরকারের কার্যাবলি ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য জনশক্তি এবং সম্পদের সুষ্ঠু সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা করে থাকে। সেজন্য উভয় শাস্ত্রের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।

পৌরনীতি ও সুশাসন এবং লোক প্রশাসনের মধ্যে সাদৃশ্যসমূহ নিম্নরূপ:

১। উৎপত্তিগত সাদৃশ্য ঃ পৌরনীতি ও সুশাসন এবং লোক প্রশাসনের মধ্যে উৎপত্তিগত সাদৃশ্য রয়েছে। উভয় শাস্ত্রই অতীতে সমাজবিজ্ঞানের অন্তর্ভূক্ত ছিল। একপর্যায়ে সমাজবিজ্ঞান থেকে পৌরনীতি ও সুশাসন এবং লোক প্রশাসন পৃথক হয়ে যায়।

২। পরস্পর নির্ভরশীল ঃ পৌরনীতি ও সুশাসন এবং লোক প্রশাসন পরস্পর নির্ভরশীল। নাগরিকের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা পৌরনীতি ও সুশাসনের মূল লক্ষ্য; তবে লোক প্রশাসন জ্ঞান ছাড়া তা বাস্তবায়ন করা যায় না। আবার লোক প্রশাসন সরকারের বিভিন্ন বিধি-বিধান বাস্তবায়নের মাধ্যমে নাগরিকের জীবনমান উন্নত করে। আর এক্ষেত্রে পৌরনীতি ও সুশাসন শাস্ত্রে পরামর্শ একান্ত আবশ্যক।

৩। আলোচ্য বিষয়ে সাদৃশ্য ঃ পৌরনীতি ও সুশাসন এবং লোক প্রশাসনের মধ্যে আলোচ্য বিষয়গত সাদৃশ্য বিদ্যমান। পৌরনীতি ও সুশাসন রাষ্ট্র, রাষ্ট্রের উৎপত্তি, সংগঠন, ব্যবস্থাপনা, আমলাতন্ত্র ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা করে। অন্যদিকে লোক প্রশাসন রাষ্ট্রের এসব প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন নিয়ে আলোচনা করে থাকে।

৪। আবশ্যকতায় সাদৃশ্য ঃ পৌরনীতি ও সুশাসন এবং লোক প্রশাসনের আবশ্যকতায় সাদৃশ্য রয়েছে। আধুনিক কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের জন্য লোক প্রশাসনের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা যেমন দরকার তেমনি দরকার পৌরনীতি ও সুশাসনের পরামর্শ। তাই পৌরনীতি ও সুশাসন এবং লোক প্রশাসন সুশাসন বাস্তবায়ন ও জনকল্যাণের বিভিন্ন বিষয়ে নির্দেশনা দিয়ে থাকে।
See Also…

এসএসসি ২০২২ [১০ম শ্রেনী] বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ৫ম সপ্তাহ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর

এসএস সি ২০২২ [১০ম শ্রেনী] বিজ্ঞান ৫ম সপ্তাহ এসাইনমেন্ট সমাধান

এসএসসি পৌরনীতি ও নাগরিকতা এসাইনমেন্ট ২০২১ সমাধান দেখুন

Updated: August 12, 2021 — 12:57 am

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *