Eider Namaz Porar Niom [নামাজ পড়ার সঠিক নিয়ম দেখুন]

In this article we are going to discuss the proper way to Complete your everyday Salat. We think this article will help all the people a lot because every Muslim people Need this system very much. We discuss this system in English and Bengali both languages. Bangladeshi people and foreigners also can follow this system to complete this work. So this article carefully and collect this rules from here.

Namaz Porar Niom [নামাজ পড়ার সঠিক নিয়ম দেখুন]

Short Rules For Salat- নামাজ পড়ার সংক্ষিপ্ত নিয়ম

At first stand with Oju.

Raise both hands up to the ears with the intention of praying.

After saying Tahrima in Takbeer, place the right hand on the left hand and place it below the navel. For the female, They place bottom of chest.

Then say aloud, ‘‘Subhanaka Allah humma wabi hamdika watabarakasmuka wataala jadduka walailaha gairuka.’’

Reading Chhana and Sura Fatiha.

The worshiper will bow his head and look at the place of prostration. Then say: “You are holy, O God. I appreciate you. Your name is Blessed. Your dignity is high. There is no god except you.” [سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ، وتَبَارَكَ اسْمُكَ، وَتَعَالَى جَدُّكَ، وَلاَ إِلَهَ غَيْرُكَ]

Then say secretly: I seek refuge with God from the accursed satan. In the name of God, Most Gracious, Most Merciful. [أعوذ بالله من الشيطان الرجيم، بسم الله الرحمن الرحيم]

Then Surah Fatiha will be recited. At the end he will say «Amen» which means, O Allah, accept my prayer.

After Surah Fatiha, Another Surah will read from the Qur’an which is easy in the first two rak’ahs. The Qur’an will be recited aloud in the first two rak’ahs of Fajr, Maghrib and Isha.

Then go to ruku with takbeer. Place the fingers of two hands on the two knees as wide as it can feel. Keep the head and back parallel. Then say, سبحان ربي العظيم That is, my Holy Lord, the Holy One. Then he will raise his head and say that the Imam and the one who is praying alone will hear the praise of Tirmidhi in the narration. سمع الله لمن حمده অর্থাৎ প্রশংসাকারীর প্রশংসা আল্লাহ তাআলা শুনেছেন।

ঈদের নামাজের নিয়ম

ঈদের নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করতে হয়। ঈদের নামাজ সাধারণত খোলা মাঠে তথা ঈদগাহে পড়া হয়। তবে এরূপ স্থানের অভাবে বা আপৎকালে মাসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করা যায়।

সময়সম্পাদনা

চোখের দেখায় সূর্য দিগন্ত থেকে আনুমানিক দুই মিটার উচ্চতায় পৌঁছালে ঈদের নামাজ পড়া হয়। জোহর নামাজের আগেই ঈদের নামাজ আদায় করতে হয়। সুন্নাত হিসেবে ঈদুল ফিতরের নামাজ কিছুটা দেরী করে এবং ইদুল আজহার নামাজ দ্রুত আদায় করা হয়। ইদুল ফিতরে ফিতরা প্রদান করতে হয়। ঈদ সকালে কিছুটা সময় পাওয়া গেলে ফিতরা আদায়ে সুবিধা হবে। অন্যদিকে ঈদুল আজহায় ঈদের নামাজ সম্পন্ন করে আল্লাহর উদ্দেশ্যে পশু কুরবানী করা হয়। সেজন্য ঈদের নামাজ যত দ্রুত সম্ভব আদায় করতে হবে। এই ব্যাপারে হাদিসে সুস্পষ্ট বিধান প্রদত্ব রয়েছে।

অতিরিক্ত তাক্ববিরসম্পাদনা

ঈদের নামাজে অতিরিক্ত ছয় কিংবা বারো তাক্ববির রয়েছে।

ছয় তাকবিরের ক্ষেত্রে প্রথম রাক্বাতের শুরুতে অতিরিক্ত তিন তাক্ববির এবং দ্বিতীয় রাক্বাতে অতিরিক্ত তিন তাক্ববির দিতে হয়। প্রথম রাক্বাতে ছানা পাঠের পর কানের লতি পর্যন্ত হাত তুলে পর পর তিন তাক্ববির বলতে হয়। দ্বিতীয় রাক্বাতে সুরা পাঠান্তে রুকুতে যাওয়ার আগে অতিরিক্ত তিন তাক্ববির বলতে হয়। অতিরিক্ত তাক্ববির বলার পর কানের লতি থেকে হাত নামিয়ে আনতে হয়।

বারো তাক্ববিরের ক্ষেত্রে প্রথম রাক্বাতের শুরুতে অতিরিক্ত সাত তাক্ববির এবং দ্বিতীয় রাক্বাতের শুরুতে অতিরিক্ত পাঁচ তাক্ববির দিতে হয়। প্রথম রাক্বাতে ছানা পাঠের পর কানের লতি পর্যন্ত হাত তুলে পর পর সাতবার তাক্ববির বলতে হয়। দ্বিতীয় রাক্বাতে সুরা পাঠা শুরুর পূর্বে অতিরিক্ত পাঁচ তাক্ববির বলতে হয়।[১]

খুৎবাসম্পাদনা

ঈদের নামাজে ইমাম কর্তৃক খুৎবা পড়া সুন্নত এবং মুসুল্লিদের খুৎবা শোনা ওয়াজিব। জুমার নামাজের ন্যায় প্রথমে বিষয় ভিত্তিক খুৎবা এবং পরে সানি খুৎবা পাঠ করতে হয়। খুৎবার মাধ্যমে ঈদের নামাজের সমাপ্তি হয়। সাধারণতঃ খুৎবার পরে দুয়া করা হয়।

Rise from prostration and prostration

Musli will go to prostration with takbir. When going to prostration, put two knees first, then hands, then forehead and nose. The two hands will bend either side of the ear or along the shoulder.

The two elbows will lift off the ground. The upper arm will keep away from the armpits, stomach and run. Will say three times in prostration: [سبحان ربي الأعلى ] That is, holy-great my Lord, who is all-powerful. Will pray more and more in prostration.

Then he will raise his head with takbeer. Do not raise your hands up to your shoulders or ears at this time. Spread your left leg and sit on it. Keep the right leg upright. This will keep the toes straight. Put your hands wide on the run. The fingers of the hand will be straight. At this time say: O Allah, forgive me. Have mercy on me Heal my wounds. Give me guidance and sustenance. [اللهم اغفر لي، وارحمني، واجبرني، واهدني، وارزقني]

– Then do the second prostration like the first prostration with takbeer.

– Then stand on the hand for the second rak’ah.

He will perform the second rak’ah just like the first rak’ah. However, like the first rak’ah, the initial dua or the chhana will not be recited.

Tashahud

When the first two rak’ats are finished, a Muslim will settle for the first Tashahud. The left leg will sit and the right foot will be raised. Put both hands on the thighs. Keep your left hand wide. And the little finger and ring finger of the right hand will be wrapped. Keep the middle finger in circulation with the thumb. Pointing his finger with his finger and pointing at him.

Namaz Porar Niom [নামাজ পড়ার সঠিক নিয়ম দেখুন]

And say: All honor is addressed to Allah. Allah is the owner of all peace, welfare and purity. O Prophet! May peace, mercy and blessings of Allah be upon you. Peace be upon us and on the righteous servants of Allah. I testify that there is no god but Allah. I testify further that Muhammad is Allah’s servant and messenger. [التحيات لله، والصلوات والطيبات، السلام عليك أيها النبي ورحمة الله وبركاته، السلام علينا وعلى عباد الله الصالحين، أشهد أن لا إِله إِلا الله وأشهد أن محمداً عبده ورسوله]

Then Reading Durd And says:

O Allah, have mercy on Muhammad and the family of Muhammad, as He had mercy on Ibrahim and the family of Ibrahim. Surely Thou art the Praised, the Glorious. O Allah, bless Muhammad and his family, as you blessed Ibrahim and Ibrahim’s family. Surely Thou art the Praised, the Glorious. [اللهم صل على محمد وعلى آل محمد، كما صليت على إِبراهيم وعلى آل إِبراهيم إِنك حميد مجيد. اللهم بارك على محمد وعلى آل محمد، كما باركت على إِبراهيم وعلى آل إِبراهيم إِنك حميد مجيد]

Then say: O Allah, surely I have wronged myself a lot. And only you forgive sins. So forgive me on your behalf. Surely Thou art the Forgiving, the Merciful. [اللهم إني ظلمت نفسي ظلما كثيرا ولا يغفر الذنوب إلا أنت فاغفرلي مغفرة من عندك، إنك أنت الغفور الرحيم.]

Greetings: On prayer, the Muslim will return to his right and left and say: [السلام عليكم ورحمة الله]

নামাজ পড়ার নিয়ম বাংলায়

গোসল বা ওজু বা তায়াম্মুম করে পাক-পবিত্র হবেন।

সাংসারিক চিন্তা-ভাবনা ভুলে একমাত্র প্রতিপালক আল্লাহ দিকে মনোনিবেশ করে কেবলামুখী (পশ্চিমমুখী) হয়ে দাড়াবেন।

নামাজের নিয়ত করিবেন (নিয়ত করা জরূরী পড়া নয়)

আল্লাহ আকবার- বলে উভয় হাতের বৃদ্ধাঙ্গুল দিয়ে কান স্পর্শ করে হাত বাঁধবেন। হাত বাঁধার জন্য বাম হাতের উপর ডান হাত রেখে, ডান হাতের কনিষ্ঠ ও বৃদ্ধাঙ্গুল দ্বারা বাম হাতের কব্‌জি ধরবে এবং ডান হাতের বাকি তিনটি আঙ্গুল বাম হাতের উপর প্রসারিত থাকবে।

এবার চুপে চুপে সানা (সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়াবিহাম-দিকা ওয়াতাবারাকাসমুকা ওয়াতা’আলা জাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গাইরুকা) পাঠ করবেন।

আউ’জু বিল্লাহি মিনাস শয়তানির রাযিম। বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম- পাঠ করিবেন। এরপর সূরা ফাতেহা পাঠ করবেন। সূরা ফাতেহা নিচে দেওয়া হয়েছে।

এবার অন্য একটি সূরা পাঠ করবেন। তবে যদি ইমামের পিছনে নামাজ পরেন তাহলে চুপ করে থাকবেন। সূরাসমূহ নিচে দেওয়া হয়েছে।

আল্লাহ আকবার বলে রুকুতে যাবেন। রুকুর সময় দু হাত হাঁটুর উপর এমনভাবে রাখবেন যেন গিরার উপর ভর পরে। মাথা, ঘাড় ও পিঠ এক বরাবর থাকবে। রুকুতে থাকা অবস্থায় তিন বার অথবা তার চেয়ে বেশি সংখ্যক বেজোর বার রুকুর তাসবীহ অর্থাৎ সূবাহানা রাব্বিয়াল আযীম- এই দোয়া পাঠ করবেন। রুকুর তাসবীহ পাঠ শেষে সোজা হয়ে দাড়াবেন।

রুকুর তাসবীহ পাঠ শেষে সোজা হয়ে দাড়াবেন এবং সামি আল্লাহুলিমান হামিদা এবং রাব্বানা লাকাদ হামদ্‌- বলবেন। তবে ইমামের পিছনে নামাজ পড়লে ইমাম প্রথমে- সামি আল্লাহুলিমান হামিদা- বলবেন, এরপর আপনি শুধু -রাব্বানালাকাদ হামদ্‌- বলবেন।

এবার আল্লাহ আকবার বলে সিজাদায় যাবেন। সিজদার সময় কপাল, নাক, দুই হাত, হাঁটু ও দুই পা মাটির স্থিরভাবে লেগে থাকবে। সিজদায় থাকা অবস্থায় তিন বার বা তার চেয়ে বেশি সংখ্যক বেজোর বার সিজদার তাসবীহ অর্থাৎ সূবাহানারাব্বিয়াল আলা- এই দোয়া পাঠ করবেন। এরপর সিজদা থেকে উঠে সোজা হয়ে বসবেন। এরপর আবার সিজদায় যাবেন এবং পূর্বের ন্যায় সিজদার তাসবীহ পাঠ করবেন। দ্বিতীয় সিজদা শেষ হলে সোজা হয়ে দাড়াবেন।

দ্বিতীয় রাকাত

এবার প্রথম রাকাতের নিয়মে সূরা ফাতেহা ও তার সাথে অন্য সূরা (ইমামের পিছনে হলে চুপ থাকবেন) পাঠ করবেন। এরপর রুকু ও সিজদা শেষ হলে বসুন এবং তাশাহুদ পাঠ করুন। এরপর নামাজ যদি দুই রাকাতের হয় তবে দরুদ ও দোয়া মাসুরা পাঠ করুন। আর নামাজ যদি তিন বা চার রাকাতের হয় তবে শুধু তাশাহুদ পাঠ শেষে উঠে দাড়ান এবং বাকি নামাজ শেষ করুন।

এক্ষেত্রে সুন্নত নামাজ হলে বাকি রাকাতসমূহ পূর্বের ন্যায় শেষ করতে হবে। আর যদি ফরজ নামাজ হয় তাহলে শুধু সূরা ফাতেহা পাঠ করতে হবে অর্থাৎ বাকি রাকাতে সূরা ফাতেহার সাথে অন্য কোনো সূরা পাঠ করতে হবে না। শেষ রাকাতে সিজদা শেষে বসে যথাক্রমে তাশাহুদ, দরুদ ও দোয়া মাসুরা পাঠ করুন। তাশাহুদ, দরুদ ও দোয়া মাসুরা নিচে দেওয়া হয়েছে।

শেষ রাকাতে দোয়া মাসুরা পাঠ শেষ হলে প্রথমে ডান দিকে মাথা ঘুরিয়ে সালাম ফিরান অর্থাৎ বলুন – আচ্ছালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। এরপর বাম দিকে মাথা ঘুরিয়ে বলুন – আচ্ছালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। এভাবে নামাজ শেষ করুন।

ফজরের নামাজে সালামের পর এই দুয়া পড়া

اللهم إني أسألك علما نافعا ، ورزقا طيبا ، وعملا متقبلا

হে আল্লাহ আমি আপনার কাছে উপকারী ইলম, উত্তম রিযক এবং কবুল হওয়া আমল প্রার্থনা করি।

আয়েশা রাযি. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম তাকবীর দিয়ে নামাজ শুরু করতেন। সূরা ফাতিহা পড়তেন। যখন তিনি রুকুতে যেতেন মাথা উপরের দিকেও রাখতেন না আবার একেবারে সোজাও করতেন না, বরং এ দুয়ের মাঝামাঝি পর্যায়ে রাখতেন। যখন তিনি রুকু থেকে উঠতেন সোজা হয়ে না দাঁড়িয়ে সিজদায় যেতেন না

আর যখন তিনি সিজদা থেকে উঠতেন তখন সোজা হয়ে না বসে দ্বিতীয় সিজদায় যেতেন না। তিনি প্রতি দু রাকাত পরপর আত্তাহিয়াতু পড়তেন। তিনি বাম পা বিছিয়ে দিতেন ও ডান পা দাঁড় করিয়ে রাখতেন। তিনি শয়তানের ন্যায় উপবেসন থেকে বেঁচে থাকার নির্দেশ দিতেন। আর হিংস্রপ্রাণী যেভাবে দু বাহু জমিনে বিছিয়ে রাখে সেভাবে মুসল্লী ব্যক্তির দু বাহু জমিনে বিছিয়ে রাখতে বারণ করতেন। আর তিনি সালামের মাধ্যমে নামাজ শেষ করতেন। -(বর্ণনায় মুসলিম)

শয়তানের ন্যায় উপবেসন করার অর্থ হলো নিতম্বের ওপর বসে দু পা সামনে দাঁড় করিয়ে রাখা এবং দু হাত মাটিতে রাখা ঠিক কুকুরের বসার মতো।

অজুর বিবরণ

গোসলের দোয়া ও বিবরণ

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নিয়ত,দোয়া ও বিবরণ

শবেবরাত এর নামাজের নিয়ত ও বিবরণ

রোজার নিয়ত ও বিস্তারিত

ঈদুলফিতর ও ঈদুলআজহা নামাজ এর নিয়ম

Sehri & Iftar Time Ramadan Calendar For Bangladesh 2020 PDF Download

Updated: June 19, 2020 — 9:17 pm

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *