Assignment

Class 8 Science Assignment Solution Download

পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণ বিভিন্ন হয় কেন – ব্যাখ্যা করো।

Table of Contents

উত্তর:

আমরা জানি যে, আমাদের পৃথিবী গোলাকার হলেও সুষম গোল নয়। দুই মেরু কিছুটা চাপা মত এবং বিষুব অঞ্চলের দিকে কিছুটা প্রসারিত। এছাড়া পৃথিবীর ভূমিরুপ ও এক নয়।কোথাও সমভূমি তো কোথাও পাহাড় পার্বত। কোথাও সামুদ্রিক নিম্নভূমি অঞ্চল আবার কোথাও বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে মালভূলি,

এই কারনে পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে ভূ-পৃষ্ঠের উপরিভাগ পর্যন্ত দুরত্ব R  এই ভিন্ন ভিন্ন স্থানে দুরত্ব কম বা বেশি হয়। মেরু অঞ্চল চাপা থাকার কারনে দুরত্ব R কম। আবার বিষুব অঞ্চল বা মালভূমি বা পাহাড়ের চুড়া পর্যন্ত দুরত্ব বেশি।

কোন স্থানের অভিকর্ষজ ত্বরন কেন্দ্র থেকে এই দুরত্বের উপর নির্ভর করে ।

পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে ভূপৃষ্ঠের দুরত্ব R হলে,

Top Stories

আমরা জানি অভিকর্ষজ ত্বরনের মান g = GM/R2

এখানে G হচ্ছে মহাকর্ষীয় ধ্রূবক এবং M হচ্ছে বস্তুর ভর যা নির্দিষ্ট। তাই ত্বরন g এর মান সর্বদা R তথা দুরত্বের উপর নির্ভর করে।

এই কারনে পাহাড়ের চুড়ায়, মালভূমিতে, বিষুব অঞ্চলে  কেন্দ্র থেকে দুরত্ব বেশি হয় বলে R এর মান বৃদ্ধি পায় ফলে ত্বরন g এর মান কমে যায়। কারন দুরত্ব বেশি হলে বস্তুর উপর কেন্দ্রের আকর্ষন বল কমে যায়।

আবার মেরু অঞ্চল বা সমুদ্র তীর অনেক নিচু হওয়ায় তা থেকে কেন্দ্রের দুরত্ব কম হয় তাই R এর মান কম গলে উপরের সূত্র থেকে g এর মান বেড়ে যায়। দুরত্ব কমে যাওয়ার ফলে বস্তুর উপর কেন্দ্রের আকর্ষন বল বৃদ্ধি পায়। যেহেতু এই বস্তুর উপর এই আকর্ষন বলের মানই হচ্ছে অভিকর্ষ, একারনে পৃথিবীর ভিন্ন ভিন্ন স্থানে কেন্দ্র থেকে ভূপৃষ্ঠের দুরত্বের কম বেশি হওয়ার জন্য অভিকর্ষজ ত্বরনের মানও ভিন্ন ভিন্ন হয়।

পৃথিবীতে তোমার ভর ৫০ কেজি। চাঁদে তোমার ওজন কমে যায় কেন ব্যাখ্যা করো।

উত্তর:

দেওয়া আছে, পৃথিবীতে ভর হচ্ছে ৫০kg

তাহলে পৃথিবীতে বস্তুর ওজন হবে W=mg

এখানে W হচ্ছে ওজন, m বস্তুর ভর= ৫০ কেজি

এবং অভিকর্ষজ ত্বরন g=9.8 ms-2

তাহলে পৃথিবীতে আমার ওজন হবে ৫০ * ৯.৮ = ৪৯০ নিউটন।

ওজনের একক নিউটন।

নির্ণয় করতে অবে চাদে ওজন কত?

আমরা জানি বস্তু বা আমাদের উপর আকর্ষন বলকে ওজন বলে। ওজন এবং ভর এক নয়/

আবার ভিন্ন ভিন্ন স্থানে ওজনের মান ভিন্ন ভিন্ন হয়। তাই চাঁদে ওজন ভিন্ন হবে।

চাঁদের অভিকর্ষজ ত্বরনের মান পৃথিবীর অভিকর্ষজ ত্বরনের প্রায় ১/৬ ভাগ।

কাজেই চাঁদে আমার ওজন হবে ৮৯০ * ১/৬ = ৮১.৬৬৭ নিউটন (প্রায়)

৩। উত্তরঃ

একটি পরিষ্কার কাচের গ্লাসে পানি নেওয়া হল। এবং তাতে ছোট এক টুকরো পাথর ফেলে দেওয়া হল।

এতে পাথরটি পানির মাঝ বরারবর গ্লাসের তলায় যেয়ে পড়ল।

পর্যবেক্ষণঃ

(ক) গ্লাসের উপর দিয়া পাথরটিকে সরাসরি দেখার চেষ্টা করা হল।

উপর থেকে পানির মধ্য দিয়া পাথরটিকে দেখা যাচ্ছে।

কিন্তু পাথরটিকে মনে হচ্ছে তলাসহ পাথরটি  কিছুটা উপরের দিকে। অর্থাৎ গ্লাসে তলা পর্যন্ত প্রকৃত যে দূরত্ব তার থেকে কম দূরত্বের বলে মনে হচ্ছে।

কারনঃ গ্লাসের পরিষ্কার পানি আলোক প্রতিসারক হিসাবে কাজ করে। আলো যখন কম ঘন মাধ্যম থেকে অধিক ঘন মাধ্যমে প্রবেশ করে তখন অধিক ঘন মাধ্যমে আলোক প্রতিসারঙ্কের জন্য আপাতিত আলোক রশ্মি কম দুরত্বের ফোকাসে বিম্ব গঠন করে বলে দুরত্ব কম বলে মনে হয়।

(খ) কিছুটা তির্যকভাবে পাথরটি দেখার চেষ্টা করা হলঃ-

পাথরটি গ্লাসের তলা থেকে কিছুটা উপরে দেখা যাচ্ছে।

কারনঃ এটি আলোর প্রতিসরনের জন্য হয়েছে। আলো যখন অধিক ঘন মাধ্যম থেকে হালকা ঘন মাধ্যমে প্রবেশ করে তখন মাধ্যমদ্বয়ের বিভেদ তলে আলোক রশ্মির প্রতিসরনের ফলে অভিলম্ব থেকে কম ঘন মাধ্যমে আলোক রশ্মি দূরে সরে যায় ফলে প্রতিসরন কোনের মান বেড়ে আলো বাকা ভাবে আমাদের চোখে প্রবেশ করে, কিন্তু পানির তলায় বস্তুটির প্রতিবিম্ব হালকা মাধ্যমের আলোক প্রতিসরনের জন্য বেকে যাওয়ার ফলে পানির তলা থেকে কিছুটা উপরে গঠিত হয়। তাই আমরা পাথরটিকে গ্লাসে পানির তলা থেকে কিছুটা উপরে দেখতে পাচ্ছি।

(গ) গ্লাসে যে পর্যন্ত পানি আছে তার একটু নিচ থেকে পর্যবেক্ষনঃ

এক্ষেত্রে পাথরটি আকারে একটু বড় দেখায়। \

কারনঃ গ্লাসের পানির মাঝ বরাবর দেখার জন্য আলোক আপতিত কোনের পরিমান খাড়া ৯০ ডিগ্রী হওয়ায় প্রতিসরন কোনের পরিবর্তন লক্ষ করা যায়না। কিন্তু গ্লাসের বিভেদ তল সমান্তরল নয় বরং বক্র বা লেন্সের মত হওয়ায় আলো পানির ঘন মাধ্যম থেকে বাইরে হালকা মাধ্যমে আসার সময় গ্লাসের বক্র বিভেদ তলে আলোর প্রতিসরনের জন্য প্রধান ফোকাসের সাথে কিছুটা সামনে পাথরের প্রতিবিম্ব গঠন করে। ফলে বিপরীত দিকে আলোক রশ্মি বর্ধিত করলে পাথরটি কিছুটা বড় মানের দেখায়।

পরিশেষে বলা যায় যে, তিনটি ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন প্রভাব ও দৃশ্য দেখার কারন হচ্ছে আলোর প্রতিসরন। দুটি ভিন্ন ঘন মাধ্যমে আলোর প্রতিসরনের জন্য লক্ষবস্তুর এরুপ ভিন্ন অবস্থান ও প্রতিবিম্ব গঠিত হয়।

ক) আইসোটোপ কাকে বলে?

 
উত্তর: কোন মৌলের একাধিক পরমানু যাদের পারমানবিক সংখ্যা একই কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন, তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোপ বলে। যেমন, হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপ হলো-
H= হাইড্রোজেন বা প্রোটিয়াম, D = ডিউটেরিয়াম, T = টিট্রিয়াম
 

আইসোটোপঃ  যে সকল পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে একে অপরের আইসোটোপ বলে।

সকল মৌলিক পদার্থ অসংখ্য পরমাণুর সমন্বয়ে গঠিত। স্বাভাবিক ভাবে একটি মৌলের সব পরমাণুর ভর, আকার, প্রোটন সংখ্যা, নিউট্রন সংখ্যা, ভর সংখ্যা একই। কিন্তু কোন একটি মৌলিক পদার্থের মধ্যে অবস্থিত পরমাণুগুলোর মধ্যে অল্প কিছু সংখ্যক পরমাণুর নিউট্রন সংখ্যা বা ভর সংখ্যা এক নয়, ভিন্ন। এদেরকে একে অপরের আইসোটোপ বলে।

হাইড্রোজেন এর ৭টি আইসোটোপ আছে। এদের মধ্যে ৩টি প্রকৃতিতে পাওয়া যায় এবং বাকি চারটি পরীক্ষাগারে সংশ্লেষণ করা হয়।  

1H – 1 (ইলেকট্রন) – 1(প্রোটন) – 0 (নিউট্রন) – 1(ভর সংখ্যা)

2H – 1 (ইলেকট্রন) – 1(প্রোটন) – 1 (নিউট্রন) – 2(ভর সংখ্যা)

3H  – 1 (ইলেকট্রন) – 1(প্রোটন) – 2 (নিউট্রন) – 3(ভর সংখ্যা)      

4H  – 1 (ইলেকট্রন) – 1(প্রোটন) – 3 (নিউট্রন) – 4(ভর সংখ্যা)

5H  – 1 (ইলেকট্রন) – 1(প্রোটন) – 4 (নিউট্রন) – 5(ভর সংখ্যা)

6H  – 1 (ইলেকট্রন) – 1(প্রোটন) – 5 (নিউট্রন) – 6(ভর সংখ্যা)      

7H  – 1 (ইলেকট্রন) – 1(প্রোটন) – 6 (নিউট্রন) – 7(ভর সংখ্যা)  

ক্লোরিনের দুটি আইসোটোপ হলো 35Cl  ও 37 Cl. নিউট্রন সংখ্যার ভিন্নতার কারণে এমনটি হয়েছে। 

খ) পারমাণবিক সংখ্যা বলতে কি বুঝ?

 

পারমাণবিক সংখ্যা: কোন মৌলের একটি পরমাণুতে প্রোটনের সংখ্যাকে পারমাণবিক সংখ্যা বলা হয়।যেমন হাইড্রোজেনের পারমাণবিক সংখ্যা ১। অক্সিজেনের পারমাণবিক সংখ্যা ৮ 

 

পারমাণবিক সংখ্যাঃ

কোন মৌলের পরমাণুর নিউক্লিয়াসে উপস্থিত প্রোটন সংখ্যাকে মৌলটির পারমাণবিক সংখ্যা বলে। পারমাণবিক সংখ্যা একটি মৌলের বৈশিষ্ট্যসূচক ধর্ম। পারমাণবিক সংখ্যাকে Z অথবা at. no দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

পারমানবিক সংখ্যার বৈশিষ্ট্যঃ

দুটি মৌলের পারমাণবিক ধর্ম কখনো এক হতে পারে না। মৌলের ধর্ম এর পারমাণবিক সংখ্যার উপর নির্ভর করে। রাসায়নিক বিক্রিয়ার আগে ও পরে এই পারমাণবিক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হবে না। তড়িৎ নিরপেক্ষ পরমাণুতে, মানে যখন পরমাণুটি আয়নে পরিণত হয়ে যায় নি, তখন প্রোটন সংখ্যা আর ইলেক্ট্রন সংখ্যা সমান থাকে। কিন্তু আয়নে পরিণত হলে, প্রোটন আর ইলেক্ট্রনের সংখ্যা আর সমান থাকে না।

উদাহরণঃ

সোডিয়ামের নিউক্লিয়াসে মোট 11 টা প্রোটন উপস্থিত। তাই সোডিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা 11। একই ভাবে, Mg, Cl, Ca, U- এইগুলার পারমাণবিক সংখ্যা যাথাক্রমে 12, 17, 20, 92।

গ নং প্রশ্নের উত্তর:

উদ্দীপকের ছকে z মৌলে পারমানবিক সংখ্যা ৬ এবং ভর সংখ্যা ১৪ দেওয়া আছে এবং পরমানুটিতে বিদ্যমান টিউট্রন সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে।

আমরা জানি, মৌলের নিউট্রন সংখ্যা= মৌলের ভর সংখ্যা-মৌলের প্রোটন সংখ্যা

= (১৪-৬)

=৮

তাই উদ্দীপকের ছকে z মৌলের নিউট্রন সংখ্যা ৮।

ঘ নং প্রশ্নের উত্তর:

ইলেকট্রন গ্রহন বা বর্জনের মাধ্যমে পরমানু আয়নে পরিণত হয়। দুটি পরমানুর মধ্যে যেটি ইলেকট্রন বর্জণ করে সেটি ক্যাটায়নে বা ধনাত্নক আযনে এবং যেটি ইলেকট্রন গ্রহন করে সেটি FYvZœK  আয়নে বা অ্যায়নে পরিণত হয়। ফলে তাদের মধ্যে একটি আকর্ষণ বল কাজ করে এবং তারা একে অন্যের সাথে বন্ধনে আবদ্দ হয়। এভাবে দুটি ভিন্ন মৌলের পরমানু থেকে যৌগ তৈরি হয়।

Na–>Na+ + e‑

F+e–>F-

NaF–>Na+F- বা NaF

মুল্যায়ন নির্দেশক :

ক) কোন মৌলের পরমাণুর ভরসংখ্যা ও প্রোটন সংখ্যা জেনে আইসোটোপ এর সংজ্ঞা সঠিকভাবে লেখার দক্ষতা।

খ) কোন মৌলের পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা জেনে পারমানবিক সংখ্যা নির্ণয় দক্ষতা।

গ) পরমাণুর মৌলিক কণিকার ধারণা, ভর সংখ্যা এবং প্রোটন সংখ্যা এবং প্রোটন সংখ্যা দিয়ে Z মৌলের নিউট্রন সংখ্যা নির্ণয়ের সক্ষমতা।

ষ) মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাস করে বহি:স্থ স্তরে ইলেকট্রন আদান প্রদানের মাধ্যমে দুইটি মৌলের যৌগ গঠন সম্ভব কি না তা গঠনের সক্ষমতা।

ক্লাস ৮ ইংরেজি এসাইনমেন্ট সমাধান দেখুন

ক্লাস ৮ গণিত এসাইনমেন্ট সমাধান দেখুন 

৮ম শ্রেণীর ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা এসাইনমেন্ট সমাধান দেখুন

৮ম শ্রেণীর ICT এসাইনমেন্ট সমাধান দেখুন

অষ্টম শ্রেণীর বাংলা এসাইনমেন্ট সমাধান দেখুন

ক্লাস ৮ বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট সমাধান দেখুন

অষ্টম শ্রেণীর কৃষি এসাইনমেন্ট সমাধান দেখুন

৮ম শ্রেণীর গার্হস্থ্য অর্থনীতি এসাইনমেন্ট সমাধান দেখুন

Source: Wikipedia 

hazabarolo.com, hojoborolo.com, Assignment Somadhan of Class 8, hozoborolo.com, Assignment er uttor Class 8, suggestionquestion.com, newresultbd.com, allresultbd.com, examresultbd.com, allnewjobcircular.com, alleducationresult.com, Class 8 vugul assignment sylabus somadhan, class 8 vugul somadhan , Assignment Prosner Uttor Class 8, dhaka board class 8 assignment somadhan 

Related Articles

One Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *