Assignment

Class 7 Science (৭ম বিজ্ঞান) Assignment Solution & Answer

সপ্তম শ্রেণির ৫ম সপ্তাহের বিজ্ঞান এস্যাইনমেন্ট সমাধান দেখুন

এ্যাসাইনমেন্টের ক্রম: নির্ধারিত কাজ-৩

নবম অধ্যায়: তাপ ও তাপমাত্রা আদ্রতা ও বায়ুচাপের উপর তাপমাত্রার প্রভাব। তাপমাত্রার পরিমাপ তাপ সঞ্চালন

[adToAppearHere]

এ্যাসাইনমেন্ট/নির্ধারিত কাজ:

Top Stories

প্রশ্ন ১: লাবিব একটি লৌহ দন্ড নিয়ে তার একপ্রান্তে মােমবাতির সাহায্যে উত্তপ্ত করল। কিছুক্ষন পর সে দেখল দন্ডটির অপর প্রান্ত গরম হয়ে গেছে এবং থার্মোমিটারের সাহায্যে মেপে দেখল তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রী সেলসিয়াস।

ক) তাপ সঞ্চালন কাকে বলে?

Table of Contents

উত্তর:

[adToAppearHere]

তাপ সঞ্চালন হল তাপের স্থান পরিবর্তন, যা সর্বদা উচ্চ তাপমাত্রা বিশিষ্ট স্থান থেকে নিম্ন তাপমাত্রা বিশিষ্ট স্থানে প্রবাহিত হয়।

তাপ তিন পদ্ধতিতে এক স্থান হতে অন্য স্থানে সঞ্চালিত হয়। যথাঃ-
১। পরিবহন
২। পরিচলন
৩। বিকিরণ
নিচে এই তিন পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।
পরিবহনঃ 
কঠিন পদার্থে মাধ্যমের কণাগুলোর স্থান পরিবর্তন না করে শুধুমাত্র স্পন্দনের মাধ্যমে এক অনু অন্য অনুর মধ্যে তাপ ছড়িয়ে দেয়াকে পরিবহন বলে।
তাপ পরিবহণের জন্য জড় মাধ্যমের প্রয়োজন। এ পদ্ধতিতে পদার্থের উষ্ণতর অণুগুলো তাপ গ্রহণ করে নিজের অবস্থানে থেকে স্পন্দিত হতে থাকে। এ স্পন্দনের মাধ্যমে উত্তপ্ত অণুগুলো পার্শ্ববর্তী শীতল অণুগুলো কে তাপ প্রদান করে, সেগুলো উত্তপ্ত হয়ে আবার তাদের পার্শ্ববর্তী অণুগুলোতে তাপ সঞ্চালিত করে। যে মাধ্যমের অণুগুলো যত বেশি সুদৃঢ় সেখানে পরিবহণ তত বেশি হয়ে থাকে।
কঠিন পদার্থের মধ্যদিয়ে তাপের পরিবহন সবচেয়ে বেশি হয়, তরলে তার চেয়ে কম, বায়বীয় পদার্থে অত্যন্ত কম এবং শূণ্যস্থানে কোন পরিবহন হয় না।যেমন- একটি ধাতব দণ্ডের এক প্রান্ত আগুনে অন্য প্রান্ত হাতে ধরে রাখলে কিছুকক্ষণ পরেই হাতে বেশ গরম বোধ হয়। দণ্ডের যে প্রান্ত আগুনের মধ্যে আছে সেই অংশের অণুগুলো আগুন থেকে তাপ গ্রহণ করে নিজের অবস্থানে থেকে স্পন্দিত হতে থাকে। এই স্পন্দনের মাধ্যমে উত্তপ্ত অণুগুলো পার্শ্ববর্তী শীতল অণুগুলোকে তাপ প্রদান করে। সেগুলো উত্তপ্ত হয়ে আবার তাদের পার্শ্ববর্তী অণুগুলোতে তাপ সঞ্চালিত করে। এভাবে তাপ দণ্ডের উষ্ণতর অংশ থেকে শীতলতর অংশে সঞ্চালিত হওয়ার পদ্ধতিই পরিবহণ।
পরিচলনঃ তরল ও বায়বীয় পদার্থের মধ্যে তাপ সঞ্চালনের পদ্ধতিকে পরিচলন বলে । এই পদ্ধতিতে অনুর স্থানান্তর ঘটে ।

এ পদ্ধতিতে তাপ সঞ্চালনের জন্য জড় মাধ্যম আবশ্যকীয়। বিশেষত তরল ও বায়বীয় পদার্থগুলোতে এ পদ্ধতিতে তাপ সঞ্চালিত হয়। তাপ গ্রহণ করে পদার্থের উষ্ণতর অংশের অণুগুলো শীতলতর অংশের দিকে প্রবাহিত হয়, এভাবে অন্য অণুগুলো স্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে নিজ গতির সাহায্যে তাপ সঞ্চালিত করে। প্রকৃতপক্ষে, কঠিন পদার্থগুলোর আন্ত-আণবিক শক্তি প্রবল হওয়ায় এরা স্থান পরিবর্তন করতে পারে না, তাই কঠিন পদার্থের মধ্য দিয়ে তাপের পরিচলন পদ্ধতি সম্ভব নয়।

বিকিরণঃ কোনো বায়বীয় ও স্বচ্ছ পদার্থের মধ্যে দিয়ে যে পদ্ধতিতে তাপ সঞ্চারিত হয় তাকে বিকিরণ বলে । এই পদ্ধতিতে তাপ প্রবাহের জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না , শূন্য মাধ্যমেও তাপ সঞ্চারিত হয় ।   

খ) তাপমাত্রা বাড়লে বায়ুমন্ডলের চাপ কমে যায় কেন?

উত্তর:

[adToAppearHere]

তাপ বাড়লে চাপের পরিমান বৃদ্ধি পায়। কারণ তাপ বাড়ালে বস্তুর ক্ষুদ্রতম কণা্ তথা পরমাণুগুলো পরস্পরের থেকে দূরে সরে যেতে থাকে। তথা বস্তুর প্রসারণ হতে থাকে। বস্তু যতো প্রসারিত হয় ততো চাপ বাড়তে থাকে। তাছাড়া বয়েল ও চার্লসের সূত্রের সমন্বিত রূপ হতে আমরা জানি চাপ*আয়তন= অনুর সংখ্যা*ধ্রুবক*তাপমাত্রা।  এ থেকেও বোঝা যায় যে, তাপ বাড়াতে থাকলে সমানুতিক হারে চাপ বাড়তে থাকে।

গ) দন্ডের তাপমাত্রা ফারেনহাইট স্কেলে নির্ণয় কর।

উত্তর:

[adToAppearHere]

ফারেনহাইট:

ফারেনহাইট একটি তাপগতিশীলতার স্কেল, যেখানে জলের হিমাঙ্ক 32 ডিগ্রি ফারেনহাইট (°F) এবং স্ফুটনাঙ্ক 212 °F (আদর্শ বায়ুমন্ডলীয় চাপে)। এথেকে পাওয়া যায় যে জলের স্ফুটনাঙ্ক এবং হিমাঙ্কের মধ্যে ঠিক 180 ডিগ্রি তাপমাত্রার তারতম্য আছে। সুতরাং, ফারেনহাইট স্কেলে এক ডিগ্রি মান হল জলের হিমাঙ্ক এবং স্ফুটনাঙ্কের তাপমাত্রার তারতম্যের 1/180 ভাগ। পরমশূন্য তাপমাত্রা সংজ্ঞায়িত হয়েছে -459.67 °F

1 ডিগ্রি °F (ডিগ্রি ফারেনহ

রূপান্তর করুন ফারেনহাইট থেকে সেলসিয়াস

℃ =
℉ – 32
_____
 
1.8000

সেলসিয়াস:

যদিও প্রাথমিকভাবে জলের হিমাঙ্ক (এবং পরবর্তীকালে বরফের গলনাঙ্ক) দ্বারা সংজ্ঞায়িত হয়েছিল, কিন্তু বর্তমানে সেলসিয়াস একটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত মানক স্কেল, যা সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে কেলভিন তাপমাত্রা স্কেলের সঙ্গে সম্পর্কিত করে।

সেলসিয়াস স্কেলের শূন্য (0 °C) বর্তমানে 273.15 K তাপমাত্রার সমতুল্য হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, যাতে 1 ডিগ্রি C-এর তাপমাত্রার তারতম্য 1 K তাপমাত্রার তারত

ঘ) উদ্দীপকের আলােকে বস্তুতে কোন পদ্ধতিতে তাপ সঞ্চালিত হয়েছে? বিশ্লেষণ কর।

উত্তর:

[adToAppearHere]

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন:

১। গরম হ্যারিকেনের চিমনিতে ঠাণ্ডা পানি পড়লে চিমনি ফেটে যায় কেন?

উত্তর:

[adToAppearHere]

মানুষের চরিত্র আর ধাতু তথা জড়বস্তুর চরিত্র এক নয়। বাড়িতে বৌ বা বাচ্চারা রেগে গিয়ে চিমনি(মাথা) গরম করলে একটা গিফট ধরিয়ে দিলেই চিমনি অমনি ঠান্ডা। কিন্তু হারিকেনের চিমনি গরম হলে প্রসারিত হয়ে আয়তন বৃদ্ধি পায়। এখন এই উত্তপ্ত চিমনিতে পানি ঢাললে চিমনি শিতল হয় এবং আয়তন দ্রুত হ্রাস পায় এবং সংকুচিত হয়ে ফেটে যায়।

Class 7 Science 4th Assignment Solution (বিজ্ঞান ৪র্থ এসাইনমেন্ট)

৭ম শ্রেণি, বিষয়: বিজ্ঞান ৪র্থ এসাইনমেন্ট

এ্যাসাইনমেন্টের ক্রম: নির্ধারিত কাজ-২

অধ্যায় ও বিষয়বস্তুর শিরােনাম:

ষষ্ঠ অধ্যায় : পদার্থের গঠন পরমাণুর কণা পরমাণু ও অণু ক্ষুদ্রতম কণার মতবাদ অণু ও সংকেত সার্বজনীন দ্রাবক হিসেবে পানির ব্যবহার
এ্যাসাইনমেন্ট/নির্ধারিত কাজ:

প্রশ্ন ১: লিথিয়াম, পানি, খাবার লবন, চক, কার্বন, চুন, নাইট্রোজেন, পটাশিয়াম, অক্সিজেন, আয়ােডাইড, লােহা, ক্লোরিন ইত্যাদি কিছু পদার্থ।

ক) মৌলিক পদার্থ কাকে বলে?

[adToAppearHere]

উত্তর: আমরা জানি প্রত্যেকটি পদার্থ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা দিয়ে গঠিত। যেসকল পদার্থের অতি ক্ষুদ্রতম কণিকা এক অভিন্ন উপাদান দিয়ে গঠিত তাকে মৌলিক পদার্থ বলে।

অর্থাৎ যে সকল পদার্থ একটি মাত্র উপাদান দিয়ে গঠিত তাকে মৌলিক পদার্থ বলে।

খ) অণু ও পরমাণুর মধ্যে পার্থক্য লিখ।

উত্তর: 

[adToAppearHere]

অণু ও পরমাণুর মধ্যে পার্থক্য:

  • সংজ্ঞা: মৌলিক ও যৌগিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা কে অনু বলে আর অনুর ক্ষুদ্রতম কণা কে পরমাণু বলে।
  • অবস্থান: পরমাণু স্বাধীনভাবে থাকতে পারে না কিন্তু অন্য স্বাধীনভাবে থাকতে পারে।
  • ক্ষুদ্রতম কণা: অনুর ক্ষুদ্রতম কণা কে পরমাণু বলে আর পরমাণুর ক্ষুদ্রতম কণা কে ইলেকট্রন, প্রোটন, নিউট্রন বলে।
  • গঠন: অনু অনেকগুলো ক্ষুদ্রতম পরমাণু দিয়ে গঠিত আর পরমাণু ইলেকট্রন, প্রোটন, নিউট্রন দিয়ে গঠিত।
  • দুই বা ততোধিক একই ধরনের পরমাণু মিলে একটি মৌলিক পদার্থ গঠন করে আর দুই বা ততোধিক ভিন্নধর্মী পদার্থের পরমাণুর মিলে একটি যৌগিক পদার্থের অণুর গঠন করে।
  • পরমাণু প্রতীক দিয়ে চিহ্নিত করা হয় আর অনু সংখ্যা দিয়ে চিহ্নিত করা হয়।

গ) উদ্দীপকে উল্লেখিত পদার্থগুলােকে প্রতীক ও সংকেতের সাহায্যে প্রকাশ করে মৌলিক পদার্থ ও যৌগিক পদার্থ আলাদা কর।

[adToAppearHere]

উত্তর: উদ্দীপকে উল্লেখিত পদার্থসমূহের প্রতীক সংকেত ও মৌলিক ও যৌগিক পদার্থ আলাদা করা হল-

মৌলিক পদার্থ সমূহ:

পদার্থের নামপ্রতীকসংকেত
লিথিয়ামLi 
কার্বনC 
নাইট্রোজেনNN2
অক্সিজেনOO2
লোহাFe 
ক্লোরিনC1C12
পটাশিয়ামk 
আয়োডাইডI

যৌগিক পদার্থ সমূহ:

পদার্থের নামসংকেত
পানিH2O
খাবার লবনNaCl
চকCaCO3
চুনCaO

ঘ) উল্লেখিত পদার্থগুলাের মধ্যে কাকে সার্বজনীন দ্রাবক বলা হয়? কারণ বিশ্লেষণ কর।

[adToAppearHere]

উত্তর: সার্বজনীন দ্রাবক:  উপরে উল্লেখিত পদার্থগুলোর মধ্যে পানি একটি সার্বজনীন দ্রাবক।

পানি সার্বজনীন দ্রাবক হওয়ার কারণ:

পানি একটি সার্বজনীন দ্রাবক, কারণ এটি জৈব ও অজৈব অনেক পদার্থকে দ্রবীভূত করে যা অন্য দ্রাবক এর পক্ষে সম্ভব নয়।

এখন আমরা একটি পরীক্ষার মাধ্যমে জানবো পানি সত্যিকারঅর্থে সার্বজনীন দ্রাবক কিনা:

পরীক্ষণ এর নাম: পানি সার্বজনীন দ্রাবক এর কারণ বিশ্লেষণ।

প্রয়োজনীয় উপকরণ:

পানি, টেস্ট টিউব, নানারকম পদার্থ (যেমন খাবার লবণ, সোডা, টেস্টিং সল্ট, বিট লবণ, ফিটকিরি, চিনি, ভিনেগার, স্পিরিট, ভিটামিন সি ট্যাবলেট, গ্লুকোজ ইত্যাদি)

পরীক্ষণ পদ্ধতি:

  • ১. প্রথমে আমরা টেস্টটিউবে ৫ মিলি লিটার এর মত পানি নিব।
  • ২. টেস্টটিউব নেওয়া পানির সাথে কিছু খাবার লবণ যোগ করে ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে নিব।
  • ৩. এভাবে প্রত্যেকটি জৈব ও অজৈব পদার্থ গুলো কে পানিতে মিশিয়ে ঝাঁকিয়ে পর্যবেক্ষণ করব।
  • ৪. এরপর আমরা অন্য একটি দ্রাবক যেমন স্পিরিট দিয়ে উপরে উল্লেখিত সবগুলো জৈব ও অজৈব পদার্থ গুলো দ্রবীভূত করার চেষ্টা করব।

পানি সবগুলো অজৈব ও জৈব পদার্থকে নিজের মধ্যে দ্রবীভূত করতে পেরেছে কিন্তু অন্য একটি দ্রব্য যেমন ইসপিরিট নিজের মধ্যে অন্য কোন জৈব ও অজৈব পদার্থ কে দ্রবীভূত করতে পারেনি। সুতরাং পানি একটি সার্বজনীন দ্রাবক।

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন – ১: চিনিকে কেন যৌগিক পদার্থ বলা হয়?

[adToAppearHere]

উত্তর: চিনিকে যৌগিক পদার্থ বলার কারণ:

যৌগিক পদার্থের সংজ্ঞা থেকে আমরা পাই, যে সকল পদার্থ অনেকগুলো মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা অর্থাৎ পরমাণু দিয়ে গঠিত সে গুলোকে যৌগিক পদার্থ বলে।

মৌলিক পদার্থকে রাসায়নিকভাবে বিশ্লেষণ করে অন্য কোনো বস্তুতে রূপান্তরিত করা যায় না। আবার যৌগিক পদার্থকে রাসায়নিকভাবে বিশ্লেষণ করলে একাধিক মৌলিক পদার্থ পাওয়া যায়। চিনিকে রাসায়নিকভাবে বিশ্লেষণ করলে C, H ও O মৌলিক পদার্থ পাওয়া যায়। তাই চিনিকে যৌগিক পদার্থ বলা হয়।

মুল্যায়ন নির্দেশক:

  • নির্ভুল তথ্য ও যুক্তি সম্মত ব্যাখ্যা প্রদান।
  • প্রশ্নের চাহিদা অনুযায়ী উত্তর প্রদানের দক্ষতা;
  • প্রতীক ও সংকেতের সঠিক ব্যবহারের দক্ষতা;
  • প্রশ্নের অনুধাবন ক্ষমতা বিষয় বস্তুর গভীরতা প্রয়ােগ ক্ষমতা;

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *