করোনা ভাইরাসের সর্বশেষ খবর

আমরা সকলেই অবগত আছি যে কোভিক-১৯ ভাইরাস থেকে করোনা ভাইরাসের উৎপত্তি। এই ভাইরাসটি প্রথমে চিনে প্রাদুর্ভাব দেখা যায় এবং সেখানে বিস্তার লাভ করে। এভারেস্টে সারাবিশ্বে একটি হুঙ্কার পরিস্থিতি হিসেবে দাঁড়িয়েছে। আমরা সকলেই এভারেস্ট নিয়ে খুবই আতঙ্কিত এবং এর থেকে পরিত্রান পাওয়ার জন্য উপায় খুজতেছি।

করোনা ভাইরাসের সর্বশেষ খবর

এখন পর্যন্ত বিশ্বের কোন স্বাস্থ্য সংস্থা এই ভাইরাসের এন্টিভাইরাস আবিষ্কার করতে পারেনি। এটিকে একটি মরণঘাতী ভাইরাসে হিসেবেও আখ্যা দেওয়া যায় কারণ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে মৃত্যু নিশ্চিত বলে অনেকেই ধারণা করেন। এ নিয়ে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করব এই আর্টিকেলের ভিতরে।

সর্বশেষ পরিস্থিতি অনুযায়ী এই পর্যন্ত ৫০০ মানুষ আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। তবে একটি আশানুরূপ ফলাফল হল এই পর্যন্ত ৬২ হাজার মানুষ সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরে গেছেন। এ ভাইরাসে মৃত্যুর হার ১.২৫ পার্সেন্ট যা কিনা অন্যান্যবারের তুলনায় অতি কম বলে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করেন।

করোনাভাইরাস সর্বশেষ পরিস্থিতি বাংলাদেশ

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী করোনাভাইরাস এখন পর্যন্ত মহামারি আকার ধারণ করেছে ইতালি ও চিনে। এই দুইটি দেশের ভিতরে সর্বোচ্চ পরিমাণ মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন।

তবে বাংলাদেশে যে কয়েকজন লোক এ আক্রান্ত হয়েছে তারা সকলেই বাহির থেকে আসা এবং তারা সকলেই বিদেশ থেকে এই ভাইরাসটি বহন করে নিয়ে এসেছিলেন। এই ভাইরাস বাংলাদেশ প্রাদুর্ভাব করা সম্ভব নয়। কারণ এই ভাইরাসটি সে সকল দেশে প্রাদুর্ভাব ঘটাবে যে সকল দেশের তাপমাত্রা ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে থাকে।

আমরা সকলে অবগত আছি যে, আমাদের দেশে এখন গ্রীষ্মকাল শুরু হবে তার মানে আমাদের তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে চলে যাবে। এই তথ্য অনুযায়ী আমাদের দেশে এই ভাইরাসটি প্রাদুর্ভাব ঘটানো সম্ভব না বলে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করেন।

তবে কথায় আছে সর্তকতা থাকলে কোন সমস্যা নেই কারণ আমরা যদি সকলেই সতর্ক থাকি তাহলে এবার হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলেই চলে। এই ভাইরাসের জন্য তেমন কোনো নতুন সর্তকতা নেই আমরা যদি প্রতিনিয়ত একজন সুস্থ মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার জন্য যে সকল কাজগুলো করা দরকার তা ঠিকমতো করতে পারি তাহলে এ ভাইরাস হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

করোনাভাইরাস বিশ্ব পরিস্থিতি এবং কতজন মারা গেল এ পর্যন্ত?

বিশ্ব পরিস্থিতি বলতে পারোনা ভাইরাসটি এখন পর্যন্ত ১০০টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। আমরা সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী জানি যে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্ত্রী পর্যন্ত এ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। তারমানে এরূপই শুধুমাত্র গরিব অথবা শুধুমাত্র বড়লোক শ্রেণী কোন মানুষের জন্য নির্দিষ্ট করে নয়। যে কোনো মানুষই এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে।

এখন পর্যন্ত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী পাঁচ হাজারের মতো মানুষ মারা গেছেন। তবে ৬৩ হাজার মানুষ সুস্থ হয়ে নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে গেছেন এটা একটা আশার আলো বলে সকলেই জানেন। আমরা সকলেই এ রোগ থেকে মুক্ত থাকার জন্য আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করতে পারি। কারণ একমাত্র আল্লাহই পারেন এ রোগ থেকে আমাদেরকে পরিত্রান দিতেন।

কোন কোন দেশে করণা আক্রান্ত হয়েছে বেশি?

এই তথ্যটি এখন পর্যন্ত আমাদের জানা নেই তবে বিশিষ্টজনরা মনে করেন যে ১০০ দেশ পর্যন্ত করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। যেহেতু এটি প্রথমে চিনে প্রাদুর্ভাব ঘটায় এবং চীনের মানুষ আক্রান্ত হয়ে মারা যায় তার জন্য উৎপত্তিস্থল হিসেবে চীনকে দেওয়া হয়েছে।

এখন পর্যন্ত ইতালিসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশে এই ভাইরাসটি অতি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। কারণ আমরা জানি যে ইউরোপের দেশগুলো সাধারণত ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার নিচে থাকে সবসময়। সেই হিসেবে ইউরোপিয়ন সকল দেশের নাগরিকদের কে সচেতন থাকার জন্য বলা হয়েছে।

করোনাভাইরাস ভারতীয় আক্রান্ত হয়ে অনেক মানুষ হাসপাতালে ভর্তি আছেন। এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব যেন না ঘটে তার জন্য আইপিএল খেলা পর্যন্ত স্থগিত আছেন। ভারতের এবং কি বাংলাদেশের সকল সংস্থাগুলো তাদের কার্যক্রম পর্যন্ত বন্ধ রেখেছে।

DOE MCQ Exam Result 2020 PDF Download

Updated: March 25, 2020 — 10:57 pm

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *